বানী

বাসস্থান মানুষের মৌলিক প্রয়োজনের একটি অন্যতম বিষয়। সাড়া দিন কঠোর পরিশ্রম শেষে মানুষ বিশ্রাম বা নিদ্রা যেতে একটি আর্দশ বাসস্থান খোঁজে। এটি সর্বকালের সব মানুষেরই শ্বাশত মনের আবেদন।

নগর জীবনে বিশেষ করে ঢাকা কেন্দ্্রীক নি¤œ মধ্যবিত্ত পরিবার গুলোর জন্য নিজের একটা ফ্ল্যাট বা বাসস্থানের মালিক হওয়া একটি কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করা ছাড়া একটি বাড়ীর কথা তো চিন্তাই করা যায় না, নি¤œ মধ্য বিত্ত পরিবারের লোকজন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে হয়তো একটি ফ্ল্যাটের বিষয়ে ভাবতে পারে। আবার রেডি ফ্ল্যাটের মূল্যও অনেকের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরে। একটি ছোট পরিবারের জন্য ৩টি বেড বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের মূল্য কম বেশী ৫০ লক্ষ টাকার কম হয় না।

ঢাকায় বসবাস করছি প্রায় ৪৫ বছর যাবৎ, জীবনের বেশীর ভাগ সময়ই থেকেছি ভাড়া বাড়ীতে। স্বল্প খরচে মাথা গোজার ঠাঁই কিভাবে করা যায় ভাবতে শুরু করেছি বহুদিন থেকেই। ১৯৯৮ সালে আমার উদ্যোগে ঢাকার উত্তর মুগদা ঝিলপাড় এলাকায় এক টুকরা জমি কিনে ২৩ জন বন্ধু মিলে ৬ তলা ভবন নির্মান করে শান্তিতে বসবাস শুরু করেছি। ভাড়া করা বাড়ীর পরিবর্তে নিজের ফ্ল্যাটে বসবাসের শান্তির পরশ অনুভব করতে শুরু করলাম, আর ভাবতে থাকলাম কিভাবে এই শান্তির স্বাদ নি¤œ আয়ের গনমানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া যায়। এরই ফলশ্রুতিতে ২০১০ ইং সালে অনেক চিন্তা ভাবনা করে মতিঝিলের অতি সন্নিকটে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের গ্রীন মডেল টাউনে পর্যায়ক্রমে প্রায় ১০ বিঘা জমি কিস্তিতে ক্রয় করে বিনা লাভে প্রায় ৭০০ জন সীমিত আয়ের সদস্যগনের মধ্যে শেয়ার বিক্রয় করে দিলাম। মাত্র ৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ডেভেলপার কোম্পানির মাধ্যমে নির্মিত একটি ফ্ল্যাট পাবেন প্রত্যেক সদস্যগন। যার বাজার মূল্য তখন হতে পারে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা। প্রসঙ্গত উল্লেখ যে, সেই কাফেলায় আমারও আছে ৬টি শেয়ার বা ফ্ল্যাট।

বাংলাদেশের প্রাণ কেন্দ্র মতিঝিলের অতি নিকটে একমাত্র পরিকল্পিত শহর গ্রীন মডেল টাউনটি আমার খুবই ভালো লেগেছে, তাই আবারও উদ্যোগ নিলাম নগদ বাড়ী করা যায় কিনা। এ, বি, সি ও ডি ব্লক রাজউক কর্তৃক অনুমোদিত বিধায় বি ব্লকে ২০১৫/২০১৬ সালে প্রায় ৫ বিঘা জমি কিস্তিতে ক্রয় করলাম। দ্রুত শেয়ার বিক্রয় চলছে, সেদিন হয়তো খুব বেশি দূরে নয়, বহু দিনের লালিত স্বপ্নের ফ্ল্যাট চোখের সামনে দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে, মহান আল্লাহ যদি আমাদের সহায় থাকেন।

আমরা আমাদের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি সঠিক ভাবে রক্ষা করার প্রাণপন চেষ্টা করি, কিন্তু অনেক সময় দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি নানাহ যৌক্তিক কারনে আমাদের কমিটমেন্ট রক্ষা করতে কিছু বিলম্ব হতে পারে, তবে তা সাধারনত ঘটে না।

প্রিয় বন্ধুরা, যারা সীমিত আয়ের মানুষ, সাশ্রয়ী মূল্যে মনোরম পরিবেশে নিজের জন্য একটা ফ্ল্যাট পেতে চান, তাদেরকে আমাদের ভূবন “গ্রীন খিদমাহ্ প্রপার্টিজ লিঃ” এ স্বাগত জানাচ্ছি। সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রাক্কালে গোপনে প্রকাশ্যে যাচাই বাছাই করে সাশ্রয়ী মূল্যে একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করার উদ্যোগ গ্রহন করতে পারেন। বাজার মূল্যের তুলনায় ৪০% সাশ্রয়ী মূল্যে আপনি একটি ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার সূবর্ণ সুযোগ পাবেন আমাদের প্রজেক্টে। আমাদের আয়োজন আপনাদের জন্যেই।

হে আল্লাহ আমাদের সহায় হউন, আমীন।
(আলহাজ্ব ডাঃ মোঃ সফিউল্লাহ ভূঁইয়া)

পরিচিতি

জনাব ডাঃ মােঃ শফিউল্লাহ ভূঁইয়া ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার অন্তর্গত টকী গ্রামের সন্তান। তাঁর পিতা মরহুম আবরু ভূঁইয়া একজন ওলিয়ে কামেল ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের পর প্রথমে শিক্ষকতা পরে ব্যাংকে চাকুরী এবং পরিশেষে চিকিৎসক হিসেবে। জীবন যাপন করছেন। দীর্ঘ ৩১ বৎসরের চিকিৎসা জীবনে বিভিন্ন জটিল রােগ বিশেষ করে হাঁপানী রােগের চিকিৎসায় সফলতার জন্য জাতীয় পুরস্কার সহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হন।

ব্যক্তিজীবনে ধর্মপরায়ন এ চিকিৎসক চরমােনাই এর মরহুম পীর, উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম, ওলিয়ে কামেল হযরত মাওলানা ফজলুল করিম (রহঃ) এর হাতে বায়াত গ্রহণ করে শিষ্যত্ব লাভ করেন। এছাড়াও সেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি বহু ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি জাতীয় কোরআন শিক্ষা। বাের্ডের একজন স্থায়ী সদস্য, দুইটি মসজিদের সভাপতি এবং তিনটি মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মানব সমাজের উন্নতি সাধনই হচ্ছে পরােপকারী ও বহুমুখী চিন্তার অধিকারী এ চিকিৎসকের একমাত্র ধ্যান।

নিজ পেশার বাইরেও মানুষের কল্যাণ সাধনের মহৎ উদ্দেশ্য থেকেই সমবায়ভিত্তিক আবাসন পরিকল্পনার উদ্ভাবন ঘটে সৃষ্টিশীল এ মানুষটির মনে। সীমিত আয়ের সমমনা লােকদের সাধ্যের মধ্যে মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করে দেয়াই এর মূল্য উদ্দেশ্য। তাঁর দক্ষ হাতেই গড়ে উঠে বেশ কিছু সমবায় ভিত্তিক আবাসন প্রকল্প যার কিছু সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকি গুলাে বাস্তবায়নের পথে এবং যথাসময়ে বাস্তবায়িত হবে। ইনশাআল্লাহ।